সোমবার, জুলাই 15, 2024

শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান শেষে সোমালিয়ার জলদস্যুদের কাছ থেকে এমভি রুয়েন জাহাজটি উদ্ধার করল ভারত

Must read

- Advertisement -

 ৪০ ঘণ্টার শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে সোমালিয়ান জলদস্যুদের কাছ থেকে একটি বাণিজ্যিক জাহাজ উদ্ধার করেছে ভারতীয় নৌবাহিনী। একইসঙ্গে ওই জাহাজের ১৭ নাবিককে উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া ওই ঘটনায় জাহাজটিতে থাকা ৩৫ জলদস্যু আত্মসমর্পণ করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, এই জাহাজ থেকেই জলদস্যুরা বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহকে নিজেদের দখলে নিয়েছে।

শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান শেষে সোমালিয়ার জলদস্যুদের কাছ থেকে এমভি রুয়েন জাহাজটি উদ্ধার করল ভারত |  ৪০ ঘণ্টার শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে সোমালিয়ান জলদস্যুদের কাছ থেকে একটি বাণিজ্যিক জাহাজ উদ্ধার করেছে ভারতীয় নৌবাহিনী। একইসঙ্গে ওই জাহাজের ১৭ নাবিককে উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া ওই ঘটনায় জাহাজটিতে থাকা ৩৫ জলদস্যু আত্মসমর্পণ করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, এই জাহাজ থেকেই জলদস্যুরা বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহকে নিজেদের দখলে নিয়েছে।
ছবি: এমভি রুয়েনভারতীয় নৌবাহিনীর মুখপাত্রের এক্স হ্যান্ডল থেকে


শনিবার (১৬ মার্চ) এক এক্স বার্তায় ভারতীয় নৌবাহিনী ভারতীয় উপকূল থেকে ওই জাহাজটি উদ্ধারের তথ্য জানিয়েছে। এমভি রুয়েন নামের বাল্ক ক্যারিয়ারের এই জাহাজ মাল্টার পতাকাবাহী। গত ডিসেম্বরে এটি ছিনতাই হয়।
জি ক্যাপ্টেন-এর খবরে বলা হয়েছে, গত শুক্রবার(১৫/৪/২০২৪) প্রথম তারা এমভি রুয়েনকে আটক করতে সক্ষম হয়। পরে জলদস্যুদের সবাইকে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়। একপর্যায়ে জাহাজটিতে থাকা ৩৫ জলদস্যুর সবাই তাদের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। জাহাজটিতে কোনো ধরনের অবৈধ অস্ত্র, গোলাবারুদ বা মাদক রয়েছে কি না তা তল্লাশি করে দেখা হয়েছে।

এই অভিযানে ভারতীয় নৌবাহিনীর বিশেষ কমান্ডোরাও অংশ নেন বলে বাহিনীর পক্ষে একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন।

শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান শেষে সোমালিয়ার জলদস্যুদের কাছ থেকে এমভি রুয়েন জাহাজটি উদ্ধার করল ভারত |  ৪০ ঘণ্টার শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে সোমালিয়ান জলদস্যুদের কাছ থেকে একটি বাণিজ্যিক জাহাজ উদ্ধার করেছে ভারতীয় নৌবাহিনী। একইসঙ্গে ওই জাহাজের ১৭ নাবিককে উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া ওই ঘটনায় জাহাজটিতে থাকা ৩৫ জলদস্যু আত্মসমর্পণ করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, এই জাহাজ থেকেই জলদস্যুরা বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহকে নিজেদের দখলে নিয়েছে।
ছবি: ভারতীয় নৌবাহিনীর মুখপাত্রের এক্স হ্যান্ডল থেকে


এর আগে গত মঙ্গলবার ২৩ নাবিকসহ ভারতীয় মহাসাগর থেকে বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহকে নিজেদের দখলে নেয় সোমালিয়ার জলদস্যুরা। তারা জাহাজটি সোমালিয়া উপকূলে নিয়ে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছে।

এর পরপরই ‘এমভি রুয়েন’কে আটকাতে অভিযান চালায় ভারতীয় নৌবাহিনী। শুক্রবার তারা ভারতীয় উপকূল থেকে প্রায় ১৪০০ নটিক্যাল মাইল (২৬০০ কিমি) দূরে আইএনএস কলকাতা যুদ্ধজাহাজ দিয়ে রুয়েনকে আটকাতে সক্ষম হয়। এরপর ভারতীয় নৌবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার এমভি রুয়েনের কাছে যায়। তখন সেটি লক্ষ্য করে  গুলি ছুড়ে জলদস্যুরা। এরপর ভারতীয় নৌবাহিনীর আরেক রণতরী আইএনএস সুভদ্রার সহায়তায়, ভারতীয় নৌবাহিনীর একটি বিশেষ ইউনিট অভিযান চালিয়ে জলদস্যুদের কোণঠাসা করে ফেলে। 

ভারতীয় নৌবাহিনী জানিয়েছে, একপর্যায়ে জাহাজটিতে থাকা ৩৫ জলদস্যুর সবাই আত্মসমর্পণ করে। জাহাজটিতে জিম্মি থাকা ১৭ নাবিককে উদ্ধার করা হয়েছে। 

২০১৭ সালের পর রুয়েনই প্রথম জাহাজ যেটি সোমালিয়ার জলদস্যুরা সফলভাবে ছিনতাই করতে পেরেছিল। বর্তমানে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুতিদের আক্রমণের দিকে বেশি নিবিষ্ট রয়েছে পশ্চিমা শক্তি। ফলে লোহিত সাগরের পূর্বদিকে জলদস্যুদের বিরুদ্ধে জাহাজগুলোকে নিরাপত্তা দিতে অন্তত এক ডজন যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে ভারত। 

রুয়েনের সফল উদ্ধার এই অঞ্চলে জলদস্যুতার বিরুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে, কারণ জলদস্যুরা জাহাজটির জন্য মুক্তিপণ আদায় করতে ব্যর্থ হয়েছে। 
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নৌবাহিনী ধারণা করছে— এমভি আবদুল্লাহকে ছিনতাই করতে এমভি রুয়েনকে ভারত মহাসাগরে ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করেছিল সোমালিয়ার জলদস্যুরা।

- Advertisement -
- Advertisement -

More articles

- Advertisement -

Latest article