রবিবার, জুন 16, 2024

পরিবেশবান্ধব ব্যাগ উৎপাদন বাড়াতে ১০০ কোটি টাকা পেয়েছেন বিজ্ঞানী ড.মোবারক, দিচ্ছে সরকার

Must read

- Advertisement -
পরিবেশবান্ধব ব্যাগ উৎপাদন বাড়াতে ১০০ কোটি টাকা পেয়েছেন বিজ্ঞানী ড.মোবারক, দিচ্ছে সরকার | উদ্ভাবনের আট বছর পর গতি আসছে পলিথিনের বিকল্প পাটের সোনালি ব্যাগ উৎপাদনে। পরিবেশবান্ধব এই ব্যাগের উৎপাদন বাড়াতে ১০০ কোটি টাকা দিচ্ছে সরকার, যা দিয়ে ডেমরার লতিফ বাওয়ানি জুট মিলে গড়ে উঠবে নতুন কারখানা। দৈনিক উৎপাদন হবে ১০ লাখ সোনালি ব্যাগ।

উদ্ভাবনের আট বছর পর গতি আসছে পলিথিনের বিকল্প পাটের সোনালি ব্যাগ উৎপাদনে। পরিবেশবান্ধব এই ব্যাগের উৎপাদন বাড়াতে ১০০ কোটি টাকা দিচ্ছে সরকার, যা দিয়ে ডেমরার লতিফ বাওয়ানি জুট মিলে গড়ে উঠবে নতুন কারখানা। দৈনিক উৎপাদন হবে ১০ লাখ সোনালি ব্যাগ।

পরিবেশবান্ধব এই ব্যাগ দেখতে সাধারণ পলিথিনের মতোই তবে তা পচনশীল। ২০১৬ সালে পাটের আঁশ থেকে সূক্ষ্ম সেলুলোজ আহরণ করে তাতে রাসায়নিক মিশিয়ে সুনির্দিষ্ট তাপমাত্রায় পরিবেশবান্ধব সোনালি ব্যাগ উদ্ভাবন করেন বিজ্ঞানী ড. মোবারক আহমদ খান। ঢাকার ডেমরায় শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে সরকারি লতিফ বাওয়ানি জুট মিলে সীমিত পরিসরে চলছে সোনালি ব্যাগের উৎপাদন।

বর্তমানে কারখানায় কাজ করছেন দুই বিজ্ঞানীসহ মাত্র ছয়জন শ্রমিক। মিনিটে ৬০ পিস ব্যাগ তৈরির সক্ষমতা থাকলেও নানা সীমাবদ্ধতায় এই কারখানায় দৈনিক উৎপাদিত হচ্ছে মাত্র ২৫০ পিস ব্যাগ, যা আবার রফতানি হচ্ছে ইউরোপ, আমেরিকা ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে। সম্ভাবনা থাকলেও গেল ৮ বছরে সোনালি ব্যাগের বাণিজ্যিক উৎপাদনে এগিয়ে আসেনি বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠান। অবশেষে দেশে সোনালি ব্যাগের ব্যবহার বাড়াতে এগিয়ে এসেছে সরকার। পরিবেশবান্ধব এই ব্যাগ উৎপাদনে নেয়া হয়েছে ১০০ কোটি টাকার প্রকল্প।

বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনের (বিজেএমসি) চেয়ারম্যান ফারুক আহম্মেদ বলেন, ১০০ কোটি টাকার প্রকল্প ইতোমধ্যে নেয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এই টাকায় ডেমরায় কারখানা স্থাপনের কথা আছে, যেখানে সোনালি ব্যাগ উৎপাদন হবে।

সোনালি ব্যাগের কারিগর বিজ্ঞানী মোবারক আহমেদ জানান, ‘সোনালি ব্যাগের প্রাক-বাণিজ্যিকীকরণ’ প্রকল্পের আওতায় অর্থ পাওয়া যাবে জুলাইয়ে। এর পর শুরু হবে কারখানা স্থাপনের কাজ। তিনি আরও বলেন,”আমরা প্রজেক্টে লিখেছি ৫ টন ব্যাগের কথা, তবে আমার বিশ্বাস প্রজেক্টের টাকা পাওয়া গেলে আমরা ১০ টন ব্যাগ উৎপাদনে সক্ষম হব। আর ১০ টন ব্যাগ মানে  ১০ লাখ পিস ব্যাগ প্রতিদিন আমরা উৎপাদন করতে সক্ষম হব”।

আগামী তিন বছরের মধ্যে প্রস্তাবিত কারখানায় এই বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করা যাবে বলে আশা করছে সরকার।

- Advertisement -
- Advertisement -

More articles

- Advertisement -

Latest article