বৃহস্পতিবার, জুন 13, 2024

টঙ্গীতে শুক্রবার শুরু বিশ্ব ইজতেমা

Must read

- Advertisement -
টঙ্গীতে শুক্রবার শুরু বিশ্ব ইজতেমা | রাজধানীর সন্নিকটে কহর দরিয়া খ্যাত টঙ্গী তুরাগ নদের তীরে আগামী শুক্রবার ফজরের নামাজের পর আম বয়ানের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে বিশ্ব তাবলিগ জামাতের বার্ষিক মহাসম্মেলন। মুসলিম জাহানের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় মহাসম্মেলনের ৫৭তম বিশ্ব ইজতেমা। ইজতেমাকে সামনে রেখে এগিয়ে চলছে শেষ পর্যায়ের প্রস্তুতি। ইতোমধ্যে শামিয়ানা টানানো, খুঁটি গাঁথা, বয়ান মঞ্চ, বিদেশিদের থাকার ব্যবস্থাসহ প্রায় ৯০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। এবার ময়দানের বেশ কিছু অংশে শামিয়ানা টানানো হয়নি। এসব স্থানে মুসল্লিরা জেলাওয়ারি খিত্তায় অবস্থান নিয়ে শামিয়ানা টানিয়ে নেবেন। তবে পানি, বিদুৎ, গ্যাস, ছাতা মাইক স্থাপন, সিটি ক্যামেরা, ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণসহ অনেক কাজ এখনো বাকি রয়েছে।

রাজধানীর সন্নিকটে কহর দরিয়া খ্যাত টঙ্গী তুরাগ নদের তীরে আগামী শুক্রবার ফজরের নামাজের পর আম বয়ানের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে বিশ্ব তাবলিগ জামাতের বার্ষিক মহাসম্মেলন। মুসলিম জাহানের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় মহাসম্মেলনের ৫৭তম বিশ্ব ইজতেমা। ইজতেমাকে সামনে রেখে এগিয়ে চলছে শেষ পর্যায়ের প্রস্তুতি। ইতোমধ্যে শামিয়ানা টানানো, খুঁটি গাঁথা, বয়ান মঞ্চ, বিদেশিদের থাকার ব্যবস্থাসহ প্রায় ৯০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। এবার ময়দানের বেশ কিছু অংশে শামিয়ানা টানানো হয়নি। এসব স্থানে মুসল্লিরা জেলাওয়ারি খিত্তায় অবস্থান নিয়ে শামিয়ানা টানিয়ে নেবেন। তবে পানি, বিদুৎ, গ্যাস, ছাতা মাইক স্থাপন, সিটি ক্যামেরা, ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণসহ অনেক কাজ এখনো বাকি রয়েছে।

তুরাগ নদের তীরে পশ্চিম পাশে মুসল্লিদের বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেখানেও মুসল্লিরা অবস্থান নিয়ে বয়ান শুনতে পারবেন। মুসল্লিদের সেবায় ১৩ জোড়া বিশেষ ট্রেন থাকবে। ২০২৪ সালের বিশ্ব ইজতেমা অগামী শুক্রবার শুরু হয়ে ৪ ফেব্রুয়ারি রবিবার আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে প্রথম পর্ব। এরপর চার দিন বিরতি দিয়ে ৯ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে দ্বিতীয় পর্ব। ১১ ফেব্রুয়ারি রবিবার আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে উভয় পর্বের বিশ্ব ইজতেমা। আগত মুসল্লিরা জেলাওয়ারি খিত্তায় অবস্থান নেবেন। প্রতিবছরের মতো এবারও উর্দু ভাষায় বয়ান করবেন। এবং বিভিন্ন দেশ থেকে আসা মুসল্লিদের সুবিধার্থে বয়ানের সঙ্গে সঙ্গে বাংলা ও আরবি ভাষায় তর্জমা করা হবে। কহর দরিয়া নদের তীরবর্তী ১৬০ একর জমি বিস্তৃত ময়দানের উত্তর পশ্চিমে তৈরি হয়েছে বয়ান মঞ্চ। এবং পশ্চিমপ্রান্তে কামাড়পাড়া সেতু সংলগ্ন বিদেশি মেহমানদের থাকার ঘর। আগত মুসল্লিদের নদী পারাপারের জন্য সেনাবাহিনী কর্তৃক নির্মাণ করা হয়েছে পাঁচটি ভাসমান সেতু। এ ছাড়া বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃক একটি সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত শত শত মুসল্লি সকাল থেকে স্বেচ্ছা শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন। গতবারের ন্যায় এবারও প্রথম পর্বে যোবায়ের অনুসারী মুসল্লিরা টঙ্গী ময়দানে ইজতেমার আয়োজন করছে। এরপর মাঝে চার দিন বিরতি দ্বিতীয় পর্বে মাওলানা সা’দ অনুসারীরা ইজতেমা আয়োজন করবেন। স্থানীয় বাসিন্দা মিজান বলেন, ময়দানের আশপাশে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা দোকানপাট, ফুটপাত উচ্ছেদ করা হয়নি, এমনকি ময়দান ঘেঁষে কামাড়পাড়া রোডে গাড়ির স্ট্যান্ডও সরানো হয়নি। এমনকি ময়দানের পাশে নিউ মন্নু, নিউ অলম্পিয়া, হোন্ডা রোড এলাকায় ফাঁকা জায়গা দখল করে অস্থায়ী দোকান বসানোর নামে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে একটি চক্র। ফলে ময়দানে আসা মুসল্লিরা অতিরিক্ত দাম দিয়ে খাবারসহ বিভিন্ন পণ্য কিনতে হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। আয়োজক কমিটির এক শুরা সদস্য ঢাকা গুলিস্তান সাফাই জামাতের এক সাথী হাজী রেজাউল করিম বলেন, ইতোমধ্যে শামিয়ানা টানানো, খুঁটি গাঁথা, বয়ান মঞ্চ, বিদেশিদের থাকার ব্যবস্থাসহ প্রায় ৯০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। আগামী দুই এক দিনের মধ্যে বাকি কাজ শেষ হবে। তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন এলাকায় মুসল্লিরা প্রতিদিন স্বেচ্ছায় শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন, আল্লাহকে রাজি খুশি করার জন্য। দুনিয়ার জন্য আমাদের চাওয়া নেই, আখেরাতের জন্য মেহনত কর। দ্বীনের মেহনত করলে এর ইজ্জত আল্লাহ তাআয়ালাই দেবেন। এ ব্যাপারে স্থানীয় এমপি জাহিদ আহসান রাসেল বলেন, বর্তমান সরকারের পর্যবেক্ষণে এবারও বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

- Advertisement -
- Advertisement -

More articles

- Advertisement -

Latest article