রবিবার, জুন 16, 2024

আন্তর্জাতিক অ্যাওয়ার্ড  ‘সেরিয়ার’ পেল কিডনি ফাউন্ডেশন হাসপাতাল

Must read

- Advertisement -
আন্তর্জাতিক অ্যাওয়ার্ড  ‘সেরিয়ার’ পেল কিডনি ফাউন্ডেশন হাসপাতাল | ঢাকার মিরপুরে কিডনি ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রশিক্ষণের স্বীকৃতি দিয়েছে বিশ্বের ১৫৬ দেশের কিডনি চিকিৎসকদের নিয়ে গঠিত অলাভজনক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অব নেফ্রোলজি (আইএসএন)। কিডনি ফাউন্ডেশনকে ‘সেরিয়ার অ্যাওয়ার্ড’ বিজয়ী ঘোষণা করে ১৮ জানুয়ারি তারা এ স্বীকৃতি দেয়। আইএসএন ১৯৬০ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী কিডনি রোগের চিকিৎসার উন্নয়ন, শিক্ষা ও গবেষণায় কাজ করছে।

ঢাকার মিরপুরে কিডনি ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রশিক্ষণের স্বীকৃতি দিয়েছে বিশ্বের ১৫৬ দেশের কিডনি চিকিৎসকদের নিয়ে গঠিত অলাভজনক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অব নেফ্রোলজি (আইএসএন)। কিডনি ফাউন্ডেশনকে ‘সেরিয়ার অ্যাওয়ার্ড’ বিজয়ী ঘোষণা করে ১৮ জানুয়ারি তারা এ স্বীকৃতি দেয়। আইএসএন ১৯৬০ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী কিডনি রোগের চিকিৎসার উন্নয়ন, শিক্ষা ও গবেষণায় কাজ করছে।

সংস্থাটি জানায়, দেশে কিডনি রোগীদের উন্নত চিকিৎসা, শিক্ষা ও গবেষণার জন্য কিডনি ফাউন্ডেশন যেসব প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালাচ্ছে, তা আন্তর্জাতিক মানের। বিশ্বের কিডনি চিকিৎসার ১০টি রেফারেল সেন্টারের মধ্যে এটি একটি, যা আন্তর্জাতিক মানের সেন্টারে পরিণত হলো।

ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অব নেফ্রোলজি আগামী ১৫ এপ্রিল আর্জেন্টিনার বুয়েনস এইরেসে আনুষ্ঠানিকভাবে অ্যাওয়ার্ড ও এই স্বীকৃতির সনদ দেবে।

কিডনি ফাউন্ডেশন হাসপাতাল ২০০২ সালে যাত্রা শুরু করে। ধানমন্ডির ৯/এ ভাড়া করা খুব ছোট পরিসরে ৯ বেডের ডায়ালাইসিস ইউনিট, ১টি ছোট ল্যাব এবং রোগী দেখা জন্য স্বল্প পরিসরে একটা আউটডোর খোলা হয়।

কঠোর পরিশ্রম এবং সর্বস্তরের সহযোগিতার মাধ্যমে এই হাসপাতালটি বর্তমানে ৩০০ শয্যার হাসপাতাল হয়েছে। এ ছাড়া ৯৬ শয্যার ডায়ালাইসিস ইউনিট রয়েছে। প্রতি সপ্তাহে একটি করে কিডনি সংযোজন করা হয়, অত্যাধুনিক ল্যাবরেটরি, একটি আইসিইউ, ইনডোর ও আউটডোর কার্যক্রম চলছে।

এই হাসপাতালে ৬০০ কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। বহির্বিভাগে প্রতিদিন ২৫০ থেকে ৩০০ রোগী খুব কম খরচে দেখা হয়ে থাকে। একজন চিকিৎসা কর্মকর্তা মাত্র ১০০ টাকায় রোগী দেখেন এবং একজন অধ্যাপক ৫০০ টাকায় ও সহযোগী অধ্যাপক ৪০০ থেকে রোগী দেখছেন।

২০১৭ সালে কিডনি ফাউন্ডেশন হাসপাতালে ‘ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অব নেফ্রোলজি’ মাধ্যমে রেনাল সিস্টার প্রোগ্রাম শুরু করা হয়। রেনাল সিস্টার প্রোগ্রামে উদ্দেশ্য হচ্ছে কিডনি রোগের আধুনিক চিকিৎসা প্রদান, শিক্ষা ও গবেষণা প্রশস্ত করা। এতে মেন্টর হিসেবে যুক্ত রয়েছে রয়েল লন্ডন হাসপাতাল।

- Advertisement -
- Advertisement -

More articles

- Advertisement -

Latest article